■সেন্ট মার্টিন’স দ্বীপ ভ্রমণ■ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হচ্ছে সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ।দ্বীপটি সূর্য, সমুদ্র,নারকেল…

শ্রীমঙ্গলের যারা বেড়াতে আসেন সময় করে যেতে পারেন হরিনছড়া গলফ মাঠে। অত্যন্ত সুন্দর এই…
শ্রীমঙ্গলের যারা বেড়াতে আসেন সময় করে যেতে পারেন হরিনছড়া গলফ মাঠে। অত্যন্ত সুন্দর এই…
December 19, 2018
অনেকদিন ধরে এই ৩টা জায়গায় যাবো যাবো করেও যাওয়া হচ্ছিলো না। খুব কমন প্লেস…
অনেকদিন ধরে এই ৩টা জায়গায় যাবো যাবো করেও যাওয়া হচ্ছিলো না। খুব কমন প্লেস…
December 20, 2018
■সেন্ট মার্টিন’স দ্বীপ ভ্রমণ■ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হচ্ছে সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ।দ্বীপটি সূর্য, সমুদ্র,নারকেল…

■সেন্ট মার্টিন’স দ্বীপ ভ্রমণ■

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হচ্ছে সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ।দ্বীপটি সূর্য, সমুদ্র,নারকেল গাছ এবং পাম গাছ,কেয়াবন দ্বারা আচ্ছাদিত। সকাল বেলায় সূর্য উদয় এবং সন্ধায় সূর্যাস্তের অপরুপ দৃশ্য দ্বীপের লোকালয়ে প্রাণ ফিরিয়ে আনে।
গত ১২ ডিসেম্বর রাতে আমরা ডিপার্টমেন্ট ট্যুর দেই সেন্টমার্টিন্স দ্বীপে। দু’দিন এক রাতে সেন্ট ঘুরে শেষ করা সম্ভব না।তাই কেউ গেলে অবশ্য ই হাতে সময় নিয়ে যাবেন,নাহলে আফসোস করবেন!13 তারিখ খুব সকালে টেকনাফ পৌঁছে শীপের টিকেট কেটে আমরা উঠে পড়ি।দ্বীপে পৌঁছাতে ঠিক দুপুর হয়ে যায়।উত্তর বীচের পাশের একটি রিসোর্টে ছিলাম আমরা।উত্তর বীচ এর আশেপাশে এবং পশ্চিম বিচেই প্রথমদিন ঘুরাঘুরি আমাদের সীমিত ছিল।বেশ ভালো রোদ থাকায় চারপাশে শুধু নীল আর নীল ছিল 😍 আকাশ সমুদ্র নীলে মিশে একাকার হয়ে ছিল! 😀
যাঁরা সাইকেল চালাতে জানেন,তারা ঘন্টায় সাইকেল ভাড়া করে পুরো দ্বীপ টা ঘুরে দেখতে পারেন।বীচ ধরে হেঁটে হেঁটে আশেপাশের সৌন্দর্য্য অবলোকন করার মাঝেও স্বর্গীয় সুখ রয়েছে! 😍
সূর্যাস্ত দেখতে হলে অবশ্যি পশ্চিম বিচে যাবেন।সূর্যাস্তের অসাধারন সৌন্দর্য্য এর সবটুকু ধরা দিবে। 😍
দ্বিতীয়দিন খুব ভোরে উঠে জেটিঘাটে গিয়েছিলাম সূর্যদয় দেখার জন্য।মন্দভাগ্য এর জন্য সেদিন মেঘ থাকায় সূর্যদয়ের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে পারিনি! ☹️ ছেড়া দ্বীপ নাস্তা শেষে ট্রলার করে রওনা হয়েছিলাম আসতে যেতে প্রায় এক ঘন্টা সময় লেগেছে।যাঁরা হেটে ছেড়া দীপ যেতে চান অবশ্য ই জোয়ার ভাটার সময় জেনে নিবেন স্থানীয় দের থেকে।ছেড়া দ্বীপের প্রবাল এর উপর ঢেউয়ের আছড়ে পড়া ,কিংবা ছেড়া দ্বীপের নিরিবিলি প্রকৃতি মুগধ হওয়ার মতন!এবার ফেরার পালা।☹️ এত কম সময়ে দ্বীপ ঠিকমতন দেখা সম্ভব না।আর একবার যাওয়ার পর দ্বিতীয়বার যেতে বাধ্য আপনি!

যেভাবে যাবেন : ঢাকা-টেকনাফ বাস যাতায়াত করে। টেকনাফ থেকে দ্বীপে শিপ যাতায়াত করে। যেকোন পছন্দ মোতাবেক শিপের টিকেট কেটে নিতে পারেন।
খরচাদি : আমাদের টোটাল খরচ জনপ্রতি ৪২০০ টাকা গিয়েছে।ডিপার্টমেন্ট ট্যুর হওয়ায় আলাদা করে খরচ সংক্রান্ত ডিটেলস দিতে পারছি না।ছুটির দিন গুলো বাদে যাওয়ার চেষ্টা করবেন
নতুবা দ্বীপ সম্পর্কে বিরূপ মনোভাব নিয়ে ফিরতে হবে।

বি:দ্র: বাংলাদেশ এ এত সুন্দর একটা দ্বীপ অথচ তা রক্ষায় আমাদের কেউ ই সচেতন নই। খুব ই দুঃখজনক হলেও সত্যি দ্বীপে মানুষ যাতায়াতে কিছুটা হলেও রেস্ট্রিকশন দেয়া উচিত!এত মানুষ যাচ্ছে কিন্তু কোয়ালিটি ধরে রাখার বদলে কোয়ালিটি নষ্ট করছে!দ্বীপের আশপাশে ময়লা খুব কম ই দেখেছি।কিন্তু শিপ থেকে সাগরে মানুষের ময়লা ফেলার হার অনেক বেশি।যাঁরা ভবিষতে যাবেন কেউ দয়া করে এই কাজ করবেন না।আমাদের প্রকৃতি রক্ষার দায়িত্ব আমাদের ই।