ঘুরে আসুন ফুলের রাজ্য যশোরের গদখালী থেকে, গ্রামের পর গ্রাম এরকম ফুলের ক্ষেত চোখে…

“সেন্ট মার্টিন ও কক্সবাজার ভ্রমন বৃত্তান্ত” সময়ঃ ৪ দিন ৫ রাত। খরচঃ জনপ্রতি ৪৯০০…
“সেন্ট মার্টিন ও কক্সবাজার ভ্রমন বৃত্তান্ত” সময়ঃ ৪ দিন ৫ রাত। খরচঃ জনপ্রতি ৪৯০০…
December 21, 2018
একদিনের ট্যুরে ঘুরে আসলাম সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান এবং টিএক্টিভিটি। কিভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে সকাল…
একদিনের ট্যুরে ঘুরে আসলাম সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান এবং টিএক্টিভিটি। কিভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে সকাল…
December 21, 2018
ঘুরে আসুন ফুলের রাজ্য যশোরের গদখালী থেকে, গ্রামের পর গ্রাম এরকম ফুলের ক্ষেত চোখে…

ঘুরে আসুন ফুলের রাজ্য যশোরের গদখালী থেকে, গ্রামের পর গ্রাম এরকম ফুলের ক্ষেত চোখে পড়বে, সারাদেশের ফুলের চাহিদার অন্তত ৭০ ভাগ ফুল নাকি এই গদখালীতেই উৎপাদন করা হয়।

যেভাবে যাবেন:
বাস: ঢাকা থেকে বাসে যশোর চলে আসুন, নন এসি বাস ভাড়া ৪৮০-৫০০ টাকা আর এসিতে ৭৫০-৮৫০ টাকা। এরপর যশোর শহরের চাঁচড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে বেনাপোলের বাসে করে ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালি বাজারে যাবেন। গদখালি যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পাশেই। শহর থেকে ১৯ কি.মি. দূরত্বে গদখালি পৌঁছাতে সময় নেবে আধ ঘন্টার মত। অথবা ঢাকা থেকে সরাসরি বেনাপোলের বাসে উঠলেই গদখালি নামিয়ে দেবে। হাতের বামে যে রোডটা গেছে সেটা ধরে কয়েক কিলো গেলেই এরকম ফুলের বাগান দেখতে পাবেন অহরহ! বাজার থেকে একটা ভ্যান নিয়ে নিতে পারেন, ঘুরুন ইচ্ছে মতো!

ট্রেন: গদখালি যাবার সবচেয়ে আরামদায়ক বাহন হল ট্রেন। ঢাকা থেকে খুলনাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনে যশোর। চিত্রা সন্ধ্যা ৭টায় কমলাপুর থেকে ছেড়ে যায়। যশোর পৌছায় খুব ভোরে। স্টেশন থেকে বেনাপোলের বাস পেলে ভাল, না পেলে অটোতে করে চাঁচড়া বাসস্ট্যান্ড। এখান থেকে বেনাপোলগামী বাসে উঠলেই গদখালি নামিয়ে দেবে।

আশেপাশে ঘুরার মত জায়গায় হিসেবে আছে ঐতিহাসিক দানবীর হাজী মোহাম্মদ মহাসীন নির্মিত সেই বিখ্যাত ” ইমাম বাড়া”,
চাঁচড়ার রাজবাড়ি “;
এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম তুলারফার্ম ” জগদীশ পুর তুলারফার্ম ” + প্রায় ৬০০ বছরের পুরান তেতুলগাছ!
পাশেই রয়েছে এশিয়ার সবচেয়ে বড় বটগাছ ( প্রায় ২০ বিঘা জমির উপর),
যশোর শহরের পালবাড়ি থেকে সরাসরি কালীগঞ্জ বাসে, কালীগঞ্জ থেকে সুইতলা (১৫-২০ মিনিট)

ঘুরতে পারেন, যশোরের প্রাচীন মধ্যযুগের তৈরী ভরত ভয়ণা, ও মির্জানগর হাম্মামখানা!

যশোর শহরের মধ্যেই দেশের প্রথম এবং সর্ববৃহৎ কালেক্টরেট ভবন দেখতে পারেন, দৃষ্টিনন্দন এই ভবন দেখার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের অনেক ইতিহাসও জেনে নিতে পারবেন!

ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় একটা জাদুঘর আছে, সেখানেও যাওয়া যেতে পারে!

চাইলে কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিবিজড়িত এলাকা সাগরদাঁড়ি গ্রাম ও কপোতাক্ষ নদ ঘুরতে যেতে পারেন, তবে শহর থেকে এটা বেশ দূরে; কেশবপুর উপজেলায়!

সাগরদাঁড়ি গেলে চুকনগরের চুইঝালের মাংস খেয়ে আসতে ভূলবেন না! কেশবপুর উপজেলা সদর থেকে ১০ কিলো দূরে চুকনগর, আব্বাস হোটেল বললে যে কেউ দেখিয়ে দিবে! !সময় পেলে যশোরের কেশবপুরের হনুমান গ্রাম দেখে আসবেন, এখানে বাংলাদেশের বিরল প্রজাতির মুখপোড়া হনুমান দেখতে পাওয়া যায়

কক্সবাজার বান্দরবন সিলেটের বাইরে যারা দেশের আনাচে কানাচে ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করে তাদের কাছে এটা ভাল লাগবেই!

আমার বাড়ি কক্সবাজার, তাও গিয়েছিলাম অতদূরে, এসব দেখার জন্য! ভালই লেগেছে, আমি অবশ্য গিয়েছিলাম গত সেপ্টেম্বরে, চাষীরা জানিয়েছিল এখানে বেড়াতে যেতে চাইলে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসই হচ্ছে উপযুক্ত সময়, তখন ফুল ফুটে বেশি!

ভ্রমণপ্রেমীরা ঘুরে আসুন, ভাল লাগবে আশা রাখি!!